Shatadal will release CD with Vidyapith songs

Bhalobasar Ek Nam Invitation card

Shatadal, an organization led by our ex-student Nilotpal Banerjee, is going to release a CD containing eight old songs from Vidyapith. Six of them are written by Saikatesh Maharaj Swami Sivapradananda, one by Swapanda aka Sri Swapan Bandyopadhyay and another by Late Sankariprasad Basu. Samarda aka Late Samarendranath Chattopadhyay, music teacher of Vidyapith, composed the music.

The name of the CD is 'Bhalobasar ek nam' (ভালোবাসার এক নাম). It will be released at the Sivananda hall of Ramakrishna Mission Institute of Culture, Golpark on 24th March, 2018. The time is 5 pm.

Here is a teaser for the CD.

Below is the invitation letter from Shatadal to the Association.

The Association congratulates Shishir Roy and Nilotpal for their effort, and, on behalf of Shatadal, cordially invites members to attend the programme.

সাধারণ সম্পাদক
পুরুলিয়া রামকৃষ্ণ মিশন বিদ্যাপীঠ প্রাক্তন ছাত্র সংসদ
১০/৩ এল উমাকান্ত সেন লেন
কলকাতা ৩০
তারিখ- ১২ মার্চ ২০১৮
বিষয়- নিবেদিতার জন্মসার্ধশতবর্ষে বিদ্যাপীঠ-জীবনের কিছু গান অডিয়ো সিডি আকারে ধরে রাখা ও তার প্রকাশ অনুষ্ঠান
সঞ্জয়দা,
রামকৃষ্ণ মিশন পরিচালিত স্কুলগুলির মধ্যে আমাদের পুরুলিয়া বিদ্যাপীঠ সাংস্কৃতিক জগতে এক আলাদা ভূমিকা পালন করে প্রথম থেকেই। বিদ্যাপীঠের ঘর বাড়ি থেকে শুরু করে উৎসব অনুষ্ঠান সবক্ষেত্রেই এক সাংস্কৃতিক আভিজাত্য লক্ষণীয়। প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক স্বামী হিরণ্ময়ানন্দজীর সময়ে যার শুরু, আশি-নব্বইয়ের দশকে স্বামী উমানন্দজীর সময়ে তা পরিপূর্ণতা লাভ করে। গানের মধ্য দিয়েই বিদ্যাপীঠ জীবনে ছাত্রদের সাংস্কৃতিক পরিসরে প্রথম পা ফেলা। শিবানন্দ সদনের ঠাকুরঘরের মর্নিং প্রেয়ারে ছেলেরা ঘুম ঘুম চোখে শুরু করত ‘শ্রী গুরুভ্যো নমঃ হরি ওম’। সেই ছেলেরাই রবিবার সকালে শঙ্করীপ্রসাদ বসুর ‘আজি জাগ্রত জীবনে উদ্দাম তান’ গাইতে গাইতে উদ্দীপ্ত হয়ে উঠত। এরকম অজস্র গানের গল্পে ভরে আছে আমাদের বিদ্যাপীঠ জীবন।
বিদ্যাপীঠেরই প্রাক্তন ছাত্র স্বামী শিবপ্রদানন্দজি মহারাজ যখন ব্রহ্মচারী, তখন বিভিন্ন উৎসবে ছেলেদের জন্য নাটকের স্ক্রিপ্ট লিখছেন। নতুন ব্রহ্মচারী, নতুন ভাবনা, নতুন স্ক্রিপ্ট আর সে কখনও পুরোনো গানে সন্তুষ্ট হয়? অতএব নতুন গান লেখা। এভাবেই লেখা হয়ে গিয়েছিল অতুলনীয় বাণীর কয়েকটি গান। গানগুলোর সুর করেছিলেন বিদ্যাপীঠের গানের শিক্ষক সমরদা। সমরেন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায়। আমাদের বসিয়ে গাওয়াতেন, হারমোনিয়ামেই হারমোনাইজ করতেন আর আমরা ছাত্ররা সেই অসাধারণ হারমোনিয়াম বাদনকে নকল করার বৃথা চেষ্টা করতাম। মন্দিরে বা উৎসবে অসংখ্য ছেলে সমস্বরে গাইত সেসব গান, আমাদের কিশোরপ্রাণে দোলা দিত সেই বাণী, সেই সুর।
জাম্প কাট টু ২০১৮। বিদ্যাপীঠে যে ছেলেদের কাজ ছিল গান গাওয়া আর গাওয়ানো ওই হাজার ছেলেকে লিড দিয়ে, তারা আজকে কেউ প্রথম শ্রেণীর বাংলা দৈনিকে সাংবাদিক, কেউ সেই সাত সমুদ্র তেরো নদীর পারে অধ্যাপক, কেউ বা আবার কলকাতার বিজ্ঞান-প্রতিষ্ঠানে গবেষণারত। নিবেদিতার জন্মের সার্ধশতবর্ষে এই ছেলেরাই একত্র হল এই গানগুলোকে ছড়িয়ে দিতে, বাঁচিয়ে রাখতে। সঙ্গী হল আরো কিছু বন্ধু যারা হয়ত বিদ্যাপীঠের ছাত্র নয়, কিন্তু গানগুলোকে একবার শুনেই ভালবেসে ফেলেছে। সবাই মিলে হই হই করে রেকর্ডিং করা হল। কিছু গানের বিস্মৃত বাণী পাঠালো বিদ্যাপীঠেরই কোনো প্রাক্তনী, নর্থ ফ্লোরিডার বিশ্ববিদ্যালয়ে যে এখন অধ্যাপক; ভুলে যাওয়া কোনো সুর জোগালেন বিদ্যাপীঠেরই মাস্টারমশাই মাঝরাত্তিরে ঘুম থেকে উঠে। সেদিনের সেই সুরওয়ালা আজ মহাসিন্ধুর ওপারের সঙ্গীত শুনছেন, তাই খবরের কাগজের কপি লেখার ফাঁকে বা গবেষণাগারের টেস্টটিউব-পিপেটের নাড়াচাড়ার মধ্যেই তাঁর প্রাক্তন ছাত্রেরা মনে করে করে ফিরিয়ে আনল সুর, কথা।
এইরকম আটখানা গানকে আমরা মুড়ে ফেলেছি একখানা কম্প্যাক্ট ডিস্কে। প্রতিটা গানেরই আলাদা সুর, আলাদা মেজাজ দিয়েছিলেন সমরদা। এখন তার সঙ্গীতায়োজন করতে গিয়েও মধ্য কুড়ির তরুণ মিউজিক এরেঞ্জমেন্ট করেছে আটরকম, যাতে মিশে রয়েছে স্কটিশ হাইল্যান্ডের থেকে শুরু করে আরব উপদ্বীপের মেঠো থুড়ি মরুসুর।
এই আটখানা গান যেন আমাদের বিদ্যাপীঠ জীবনের ‘অষ্টাঙ্গিক মার্গ’। আটরকম পথে আমরা ফিরে যাব কিশোরবেলায় আর মিলব গিয়ে সেই পঞ্চবটীর তলায়, কলামন্দিরে, খেলার মাঠে, সভাবেদীতে। আমাদের সিডির শিরোনাম আমরা রেখেছি ‘ভালোবাসার এক নাম’। সেটি উদ্বোধন হবে আগামী ২৪ মার্চ, শনিবার, বিকেল সাড়ে পাঁচটায় রামকৃষ্ণ মিশন ইন্সটিটিউট অব কালচার, গোলপার্কের শিবানন্দ হলে।
এই অনুষ্ঠানে স্বীয় প্রতিভায় সমুজ্জ্বল সাংস্কৃতিক জগতের অনেক ব্যক্তিত্ব থাকছেন আর সবচেয়ে বড় কথা থাকবেন আমাদের বিদ্যাপীঠের প্রাক্তন ও বর্তমান শিক্ষকরা। এ অনুষ্ঠান আমাদের অর্থাৎ প্রাক্তনীদেরও। তাই প্রাক্তনীদের সবার আমন্ত্রণ এই আনন্দসন্ধ্যায়।
ভালোবাসা সহ
তোমার সেই আকাশী জামা- সাদা প্যান্ট ভাইয়েরা
শিশির রায় (মাধ্যমিক ১৯৯৮), নীলোৎপল ব্যানার্জি (মাধ্যমিক ২০০২) ও বন্ধুরা

প্রাতিষ্ঠানিক যোগাযোগ
শতদল
বি-৩১, অমরাবতী, সোদপুর
কলকাতা ১১০
ফোন – ৯৮৩০৭৯১৭৯১, ৯৮৩০৬৭৮০৯৪